সুন্দর সুন্দর ইসলামিক নাম মেয়েদের জন্য: ২০০+ নামের তালিকা

সুন্দর সুন্দর ইসলামিক নাম মেয়েদের: নাম হলো পরিচয় বা নিদর্শন। নাম রাখাটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। নামের আরবী অর্থ হলো ইসম। মানুষ দুনিয়ায় আসার পর তাঁর প্রথম পরিচয় হয় নাম দিয়ে। এজন্য নাম টা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। মৃত্যুর পরও মানুষ নামের জন্য পরিচিত থাকে। তাই নাম টা জন্মগত অধিকার। নাম অর্থবহ, সুন্দর, শ্রুতিমধুর ও সহজ হওয়া বাঞ্ছনীয়। মন্দ অর্থবহ বা গুণাগুণ সংবলিত নাম রাখা উচিত নয়। (বুখারি : ২/৯১৪) তাই ক্ষতিকারক ও আল্লাহর গজব সংবলিত ফণী, তিতলি ইত্যাদি কারো নাম রাখা বুদ্ধিমানের কাজ হতে পারে না। কেননা নামের প্রভাব মানুষের সত্তা ও গুণাগুণের ওপরও পড়ে। আর হাশরের ময়দানে প্রত্যেককে তার নামেই ডাকা হবে। (আবু দাউদ : ২/৬৭৬)

এই আর্টিকেল টিতে আলোচনা করা হবে মেয়েদের ইসলামিক নামের গুরুত্ব এবং। এবং দুইশত এর বেশী মেয়েদের ইসলামিক নাম। এই আর্টিকেল টি শেষ পর্যন্ত পড়ে আপনারা মেয়েদের ইসলামিক নাম সম্পর্কে ধারণা করতে পারবেন। এবং মেয়েদের ইসলামিক নাম কেন জরুরী তা আলোচনা করা হবে।

মেয়েদের ইসলামিক নাম: শিশু জন্মের পর নাম কে রাখবে?

মেয়েদের ইসলামিক নাম: শিশুর জন্মের পর একটি সুন্দর নাম রাখা মা বাবার উপর দায়িত্ব। বিশ্বের অন্যন্য দেশের ন্যায় আমাদের দেশেও শিশুর ইসলামি নাম রাখার প্রবনতা রয়েছে। শিশু জন্মের পর একটি সুন্দর নাম রাখার জন্য বাবা মা, দাদা, দাদী, নানা, নানী অধির হয়ে ওঠেন। এবং একেকজন একেক ধরনের নামের প্রস্তাব দিয়ে থাকে। শিশুর নাম রাখার প্রথম হকদার হলো তার মা এবং বাবা। শিশুর পিতা মাতাকে অবশ্যই এদিকে নজর রাখতে হবে যে নাম টা যেন সুন্দর, সাবলীল এবং অর্থবহ হয়।এমন নাম রাখা উচিত নয় যে নামের অর্থ খারাপ। বা যে নাম অমুসলিমেরা ব্যবহার করে থাকে। নাম রাখার ব্যাপারে ইসলাম খুব সচেতন হওয়ার কথা বলেদিয়েছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) শিশুর জন্মের সপ্তম দিন নবজাতকের উত্তম ও সুন্দর অর্থবোধক নাম রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। (তিরমিজি : ২/১১০) সুন্দর নাম রাখার তাগিদ দিয়ে রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘কিয়ামতের দিন তোমাদের নিজ নাম ও পিতার নামে ডাকা হবে। সুতরাং তোমরা সুন্দর নাম রাখো।’ (আবু দাউদ, হাদিস : ৪৩০০)।

তাছাড়া আমাদের দেশে দেখা যায় শিশু জন্মের পর বাবা মা হুজুরদের কাছে যায় ভালো একটা অর্থ বোধক নাম খুঁজে দিতে। তবে অনেকেই আবার নাম রাখার বেলাই খুব বেশী উদাসীন। ছেলে মেয়েদের ইসলামিক নাম রাখা টা কেমন গুরুত্বপূর্ণ তাা তারা অনুধাবন করতে পারে না।

শিশুর সুন্দর নামের,গুরুত্ব :নবজাতক শিশুর জন্য পিতামাতার একটি বিশেষ দায়িত্ব হলো জন্মের সপ্তম দিবসে তার জন্য শ্রুতিমধুর ও সুন্দর অর্থবহ নাম রাখা৷ বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলের মুসলিমদের ন্যায় বাংলাদেশের মুসলিমদের মাঝেও ইসলামী সংস্কৃতির সঙ্গে মিল রেখে শিশুর নাম নির্বাচন করার আগ্রহ দেখা যায়। ইসলামী নাম রাখার আগ্রহ থাকার পরও অজ্ঞতাবশত আমরা এমনসব নাম নির্বাচন করে ফেলি যেগুলো আদৌ ইসলামী নামের আওতাভুক্ত নয়। শিশুর নামকরণ ও নামের প্রভাব জাগো নিউজে তুলে ধরা হলো-

কে নাম রাখবেন-শিশুর জন্মের পর নাম রাখা নিয়ে আত্মীয়- স্বজনদের মধ্যে একটা প্রতিযোগিতা দেখা যায়৷ দাদা-নানা, বাবা-মা, দাদি-নানি, ফুফা-ফুফু, খালা-খালুসহ সবাই অভিন্ন নাম রাখে এবং ডাকে ৷ এ ক্ষেত্রে করণীয় হলো- আনন্দঘন পরিবেশে সবার সম্মিলিত মতামতের ভিত্তিতে সুন্দর অর্থবহ নাম রাখাই উত্তম৷ যদি এ ক্ষেত্রে ঐকমত্যে পৌঁছার সম্ভাবনা না থাকে সেক্ষেত্রে শিশুর পিতাই নাম রাখার অগ্রাধিকার পাবে। আল্লাহ বলেন, তোমরা তাদেরকে তাদের পিতৃপরিচয়ে ডাক। এটাই আল্লাহর কাছে ন্যায়সঙ্গত। (সূরা আহযাব : আয়াত ৫) আল্লাহ তাআলা হজরত আদম আলাইহিস সালামকে সব কিছুর নাম শিখিয়ে দিয়েছিলেন। ফলে তিনি আল্লাহর শিখানো জ্ঞানে সবকিছুর নাম বলে দিয়ে নিজের শ্রেষ্ঠত্বের প্রমাণ দিলেন। সুতরাং এ থেকে বুঝা যায় নাম রাখা বা নাম জানার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

শিশুর সুন্দর নাম রাখার গুরুত্ব

এক জন শিশু জন্মগ্রহণ করার পর তার নাম রাখতে হয়। সে সময় তার যে নাম রাখা হয় সবাই তাকে সেই নামেই ডাকে। দুধ পানৱত অবস্থায় তাকে ডাকলেও সে বুঝতে পারে, তাকে ডাকছে। তাই কেউ ডাকলে তার দিকে তাকায় ৷ আর বড় হবার পর এ নামেই সে পরিচিতি লাভ করে। হজরত আবু দারদা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্নিত যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, কিয়ামতের দিন তোমাদেরকে ডাকা হবে তোমাদের নামে এবং তোমাদের পিতাদের নামে, তাই তোমাদের নামগুলি সুন্দর রাখো। (আবু দাউদ) সুতরাং শিশুর সুন্দর, অর্থবোধক, মার্জিত, ইসলামী নাম রাখা উচিত।

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম- এর সামনে কোনো লোক আসলে তিনি তার নাম জিজ্ঞাসা করতেন। কারো নাম সুন্দর হলে তিনি খুশী হতেন। আর কারো নাম অসুন্দর হলে তিনি তা পরিবর্তন করে দিতেন।

নামের প্রভাব মানুষের জীবনে নামকরণের রয়েছে বিরাট প্রভাব৷ হাদিসে এসেছে- হজরত সাঈদ ইবন মুসাইয়্যাব রাদিয়াল্লাহু আনহুর দাদা হাযন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট গেলে তিনি জিজ্ঞেস করলেন, তোমার নাম কি? তিনি বললেন আমার নাম হায়ন (শক্ত)। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, না বরং তোমার নাম হওয়া উচিত সাহল (সহজ, সরল)। তিনি উত্তরে বলেন, আমার পিতা যে নাম রেখেছেন তা আমি পরিবর্তন করব না। সাঈদ ইবনু মুসাইয়্যাব বলেন, এরপর আমাদের পরিবারে পরবর্তীকালে কঠিন অবস্থা ও পেরেশানি লেগে থাকত। (বুখারি, মিশকাত) তাই অর্থ জেনে নাম রাখা জরুরি।

যে নাম রাখা ঠিক নয়

০১. আল্লাহর নাম নয় এমন নামের সঙ্গে গোলাম বা আব্দ (বান্দা) যোগ করে নাম রাখা যাবে না৷ যেমন- আব্দুশ শামস (সূর্যের উপাসক) আব্দুল কামার (চন্দ্রের উপাসক), আব্দুল মোত্তালিব (মোত্তালিবের দাস), আব্দুল কালাম (কথার দাস) ইত্যাদি।
০২. আবার আল্লাহর গুণবাচক নামের মধ্যে ‘আব্দ’ শব্দটা থাকলেও ডাকার সময় ‘আব্দ’ শব্দটা ছাড়াই ব্যক্তিকে ডাকা হয়। যেমন আব্দুর রহমানকে ডাকা হয় রহমান বলে৷ আব্দুর রহিমকে ডাকা হয় রহিম বলে। এটি অনুচিত। যদি দ্বৈত শব্দের নাম ডাকা কষ্টকর মনে হয় সেক্ষেত্রে অন্য নাম নির্বাচন করাই শ্রেয়।
০৩. মানুষ যে উপাধির উপযুক্ত নয় অথবা যে নামের মধ্যে মিথ্যাচার রয়েছে এমন নামও রাখা যাবে না। যেমন- শাহেনশাহ (জগতের বাদশাহ), মালিকুল মুলক (রাজাধিরাজ), সাইয়্যেদুন নাস (মানবজাতির নেতা) ইত্যাদি।

০৪. দাম্ভিক ও অহংকারী শাসকদের নামে নাম রাখা। যেমন- ফেরাউন, হামান, কারুন, ওয়ালিদ ৷ শয়তানের নামে নাম রাখা। যেমন- ইবলিস, ওয়ালহান, আজদা, খিনজিব, হাব্বাব ইত্যাদি৷
০৫. একদল আলেম কুরআন শরীফের মধ্যে আগত অস্পষ্ট শব্দগুলোর নামে নাম রাখাকে অপছন্দ করেছেন। যেমন- ত্বাহা, ইয়াসিন, হামিম ইত্যাদি। যেভাবে নাম রাখতে হয়- আল্লাহর নামের আগে আব্দ যোগ করে আব্দুল্লাহ কারো নাম রাখা খুবই উত্তম। যেমন আব্দুর রহমান, আব্দুল করিম, আব্দুর রহিম, আব্দুল আউয়াল, আব্দুল কুদ্দুস প্রভৃতি। ডাকার সময় অবশ্যই আব্দ যোগ করেই ডাকতে হবে। অন্য কোনো শব্দ যোগেও নামকে শ্রুতিমধুর ও অর্থবহ করা যায়। যেমন-আতাউল্লাহ, রুহুল্লাহ, নূরুল্লাহ, রহমতউল্লাহ, ইত্যাদি।

মেয়েদের ইসলামিক নাম অর্থসহ:

নামঅর্থ
অজীফা মজুরী বা ভাতা
অজেদা প্রাপ্ত, সংবেদনশীল
কারিমা উচ্চমনা
কালিমা কথোপকথন কারিণী
কিসমত ভাগ্য
কুবরা বড়ো
কুলছুমদানশীল
কাসীদাগীত কবিতা
কাদিমা অগ্রসর / আগত
কাদীরা শক্তিশালী
কাসিমাতুন পরিচ্ছন্ন
কাসীবা উপার্জনকারী
কামরা জোৎনা
করিনাসঙ্গিনী
কুদরতশক্তি/ ক্ষমতা
কাসিদা সন্মানিত
কাদিরা শক্তিশালী
কুদওয়া আদর্শ
কুররাতুল নয়নমণি
কামরুন্নিসা মহিলাদের চাঁদ
কাতমাকারোর দোষ দেখে না
কিনানা সাহাবির নাম
কামেলা পরিপূর্ণ
কানিজ অনুগত্য
খাইরাতুন – সৎকর্মশীলী নারী
খামীরাআটার খামিরা
খাদেমাসেবিকা
খালেছা বিশুদ্ধ /সরল
খায়রুণউত্তম
খীফাত হালকা
খাওলা সাহাবীর নাম
খাইরিয়া দানশীলা
খাদীজা রসূলুল্লাহ (সাঃ) এর প্রথম স্ত্রী
খাতীবা বাগ্মী
খানসা সাহাবীয়ার নাম
খুরশিদা সূর্য / আলো
 গাজীয়া যোদ্ধা / বিজয়ীনি
গানীয়া সুন্দরী
গাফীরা বিপুল সমাবেশ
গালিয়াহমহার্য/ মূল্যবান
গানিয়াহ সুন্দরী/ সুশ্রী –
গালীয়া মূল্যবান
গাওসিয়া সাহায্য প্রার্থনা
গাজালাহরিণ ছানা/উদয়মান সূর্য
গাফারা মাথার ওড়না
গাফারা জেবা যথার্থ মাথায় ওড়না
গরিফাঘন বাগান
গালশাহ আবরণ
জেসমিন ফুলের নাম
জামিলা সুন্দরী
জাহান পৃথিবী
জালসানবাগান
তানহা একা
জাবিরা রাজিহওয়া
 জাদিদাহ নতুন
জাদওয়াহউপহার
জেবা যথার্থ
জুলফা বাগান
জাবিরা রাজিহওয়া
তরিকা রিতিনীতি
তানজীম সুবিন্যস্ত
তাহিরা পবিত্র
তামজীদা মহিমা কৃর্তন
তাহযিব সভ্যতা
তাকিয়াচরিত্রবান
তাসফিয়াপবিত্রতা
তাহিয়া অভিবাদন
নাফিসা মূল্যবান
নাঈমা – সুখ
নাজিফাপবিত্র
নাইমাহ সুখী
নাহিদাউন্নত
নাদিরা বিরল
নাসরিনসাহায্যকারী
নাদিয়া আহবান
নিশাত আনন্দ
নিশাত সাদা হরিণ
নাবিলাহভদ্র
নাওয়ারনাওয়ার
নাফিসা মূল্যবান
নীলুফা পদ্ম
নিবাল তীর
নাজীবাহ ভদ্রগোত্রে
নাওশিন সুন্দরী
নাহলা পানি
নায়লা অর্জন কারিণী
নাসেহা উপদেশ কারিণী
নাফিসা মূল্যবান
নূসরাত সাহায্য
নাজিয়া বন্ধু
পলি নরম মাটির স্তর
পরী – বাংলা অতিসুন্দরী নারী / নিখুত সুন্দরী নারী
পরমা বাংলা উৎকৃষ্ট / উত্তম
প্রভাতী সকাল
 প্রভা বাংলা আলো / উজ্জ্বল
প্রত্যাশা আশা / কামনা
পপি পোস্তদানা / এক ধরনের ফুল / আফিম গাছ
ফারজানাবিদুষি
ফাতেমা নিষ্পাপ
ফারিয়া সুখী
ফাতেহা আরম্ভ
ফরিদাঅনুপম
ফাতেমানিষ্পাপ
ফাজেলা বিদুষী
ফারহাত আনন্দ
ফাইজা বিজয়িনী
ফারহানা আনন্দিতা
ফারহা অত্যন্ত ভাল
ফাখেরা মর্যাদাবান
ফারাহ আনন্দ
ফারহাত আনন্দ
ফিদা উৎসর্গ
ফারিয়ালম্বাদেহি
ফরিহা জ্ঞানী
ফারজানা জ্ঞানী
ফসিদা চারুবাক
ফাওযীয়া বিজয়িনী
ফাহমিদাবুদ্ধিমতি
ফাবিহা শুভ
ফারিয়া আনন্দ
ফাহিমা জ্ঞানী
ফেরদৌস পবিত্র
ফজিলাতুন অনুগ্রহ কারীনি
ফিরোজা মূল্যবান পাথর
ফেরদাউস বেহেশতের নাম
ফারিয়া সুখী
ফাতেহা আরম্ভ
ফরিদা অনুপম
ফাতেমা নিষ্পাপ
ফাজেলাবিদুষী
ফারাহ আনন্দ
ফারহাতআনন্দ
ফসিদা চারুবাক
ফাওযীয়া বিজয়িনী
ফাহমিদা বুদ্ধিমতি
ফাবিহা শুভ
ফারিয়াআনন্দ
ফাহিমা জ্ঞানী
মসূদাসৌভাগ্যবতী
মাহফুজা নিরাপদ
মালিহারুপসী
মুতাহারাপবিত্র
মুকারামী সন্মানিত
মাশকুরা- অর্থ- কৃতজ্ঞকৃতজ্ঞ
মালিয়াতসম্পদ
মাইমুনা ভাগ্যবতী
মেহজাবিনসুন্দরী
মিনা স্বৰ্গ
মাহিয়ানিবারনকারিনি
মনিরা জ্ঞানী
মুনতাহা পরিক্ষিত
মহাসেনসৌন্দর্য
মায়মনা ভাগ্যবতী
মাহমুদাপ্রশংসিত
মাবুবাপ্রিয়া
মাসুমা নিষ্পাপ
মোমেনাবিশ্বাসী
মালিহা রুপসী
মায়মুনা ভাগ্যবতী
মাদেহাপ্রশংসাকারিনী
মাহমুদা প্রশংসিতা
মালিহারুপসী
মাসুমানিষ্পাপ
মারিয়া শুভ্র
মাহবুবাগার্লফ্রেন্ড
মাজেদাসন্মানিয়া
মাদেহাপ্রশংসাহিতকারিণী
মাবশূরাহ সম্পদশালী
মারজানা মুক্তা
রিফাউত্তম
রামিছানিরাপদ
রাইসানিরাপদ
রীমা সাদা হরিণ
রহিমা দয়ালু
রাফা সুখ
রাবেয়ানিঃস্বার্থ
রুকাইয়া উচ্চতর
রুম্মন ডালিম
রুমালীকবুতর
রশীদা বিদূষী
রাওনাফসৌন্দর্য
রীমা সাদা হরিণ
রোমানা ডালিম
রিমশা ফুল
রিহানাপবিত্র, শুদ্ধ
রোমিসাসৌন্দর্য, স্বৰ্গ
রাফিয়া উন্নত
রাইসা রাণী
রামিসা নিরাপদ
সুলতানামহারানী
সানজিদা বিবেচক
সামিহা দানশীলা
সাইয়ারা তারকা
সাইমা উপবাসী
সানজিদা বিবেচক
সাজেদান্যায়পরায়ণ
সাদিয়া সৌভাগ্যবতী
সাবিহাসুন্দরী
সাকেরাকৃতজ্ঞ

১৫০+ বাছাই করা ইসলামিক নাম

ইসলামিক ১৫০ + মেয়েদের অর্থসহ নাম নিচে দেওয়া হলো

১) আমিনা > অর্থ > নিরাপদ

২) আসিফা > অর্থ > শক্তিশালী

৩) আনিফা > অর্থ > রুপসী

৪) আরিশা > অর্থ > প্রবল বাতাস

৫) আফিফা > অর্থ > সাধবী

৬) আকিলা > অর্থ > বুদ্ধিমতি

৭) আফরিন অর্থ > ভাগ্যবান

৮) আফিয়া > অর্থ > পূর্ণবতী

৯) আনিসা > অর্থ > সুন্দর

১০) আতিকা > অর্থ > সুন্দরী

১১) আসমা > অর্থ > অতুলনীয়

১২) আয়েশা > অর্থ > সমৃদ্ধি শালী

১৩) আনজুম > অর্থ > তারা

১৪) আয়মান > অর্থ > শুভ

১৫) আতিয়া > অর্থ > উপহার

১৬) আসীলা > অর্থ > চিকন

১৭) আফরা > অর্থ > সাদা

১৮) আমিনাহ > অর্থ > বিশ্বাসী

১৯) আনতারা > অর্থ > বীরাঙ্গনা

২০) আসিয়া > অর্থ > শান্তি স্থাপন

২১) ইসমাত > অর্থ > সাধবী

২২) ইসমত > অর্থ > সতী

২৩) ঈশরাত > অর্থ > উত্তম আচরণ

২৪) লাবনী > অর্থ > বিজয়ী

২৫) লুবনা > অর্থ বৃক্ষ

২৬) লিলি > অর্থ > পদ্ম

২৭) ললিতা > অর্থ > সুন্দরী

২৮) লিপি > অর্থ > লিখন

২৯) লামিয়া > অর্থ > ভাগ্যবান

৩০) লায়লা > অর্থ > শ্যামলা

৩১) লিমা > অর্থ > নয়ন

৩২) রাইসা > অর্থ > রানী

৩৩) রহিমা > অর্থ > দয়ালু

৩৪) রাফিয়া > অর্থ > উন্নত

৩৫) রামিসা > অর্থ > নিরাপদ

৩৬) রায়হানা > অর্থ > সুগন্ধি ফুল

৩৭) রাশীদা > অর্থ > বিদুষী

৩৮) মাজীদা > অর্থ > গোরব ময়ী

৩৯) মুবীনা > অর্থ > সুস্পষ্ট

৪০) মাছুরা > অর্থ > নল

৪১) মাহফুজা > অর্থ > নিরাপদ

৪২) মাসুদা > অর্থ > সৌভাগ্যবতী

  1. মাহমুদা > অর্থ > প্রশংসিত

৪৪) মুতাহারা > অর্থ পবিত্র >

৪৫) মাসুমা > অর্থ > নিষ্পাপ

  1. ​​সালমা > অর্থ > প্রশান্ত

৪৭) সানজিদা > অর্থ > বিবেচক

৪৮) সামীহা > অর্থ > দানশীল

৪৯) সাঈদা > অর্থ > পূর্ণবতী

৫০) সাবিহা > অর্থ > রূপসী

৫০) শাহানা > অর্থ > রাজকুমারীর

৫১) সাদিয়া > সৌভাগ্যবতী৫১) সাদিয়া >

৫২) সুরভি > অর্থ > সূর্য

৫৩) সায়িমা > অর্থ > রোজাদার

৫৪) সহেলি > অর্থ > বান্ধবী

৫৫) সাইদা > অর্থ > নদী

৫৬) সাজেদা > অর্থ > ধার্মিক

৫৭) শাহানা > অর্থ > রাজকুমারী

৫৮) সাকেরা > অর্থ > কৃতজ্ঞ

৫৯) নুসরাত > অর্থ > সাহায্য

৬০) নিশাত > অর্থ > আনন্দ

৬১) নাফীসা > অর্থ > মূল্যবান

৬২) নাহিদা > অর্থ > উন্নত

৬৩) নাজীফা >অর্থ পবিত্র>

৬৪) নাইমাহ > অর্থ > সুখী

৬৫) নাফিসা > অর্থ > মূল্যবান

৬৬) নার্গিস > অর্থ > ফুলের নাম

৬৭) নওশীন > অর্থ > মিষ্টি

৬৮) নাঈমা > অর্থ > সুখ

৬৯) নুসাইফা > অর্থ > ইনসাফ

৭০) নাবীলাহ অর্থ > > ভদ্র

৭১) নাফিসা > অর্থ > মূল্যবান

৭২) নাহলা > অর্থ > পানি

৭৩) নায়লা > অর্থ > অর্জন কারিণী

৭৪) নাসেহা > অর্থ > উপদেশ কারিনী

৬৪) নাইমাহ > অর্থ > সুখী

৬৫) নাফিসা > অর্থ > মূল্যবান

৬৬) নার্গিস > অর্থ > ফুলের নাম

৬৭) নওশীন > অর্থ > মিষ্টি

৬৮) নাঈমা > অর্থ > সুখ

৬৯) নুসাইফা > অর্থ > ইনসাফ

৭০) নাবীলাহ > অর্থ > ভদ্র

৭১) নাফিসা > অর্থ > মূল্যবান

৭২) নাহলা > অর্থ > পানি

৭৩) নায়লা > অর্থ > অর্জন কারিণী

৭৪) নাসেহা > অর্থ > উপদেশ কারিনী

৭৫) নাওশিন > অর্থ > সুন্দর

৭৬) নিবাল > অর্থ > তীর

৭৭) নীলুফা > অর্থ > পদ্ম

৭৮) নিশাত > অর্থ > সাদা হরিণ

৭৯) নাফিসা > অর্থ > মূল্যবান

৮০) নাওয়ার > অর্থ > সাদা ফুল

৮১) নাজমা >> >অর্থ দামী

৮২) নাদিয়া > অর্থ > আহবান

৮৩) নাঈমাহ > অর্থ > সুখী জীবন যাপন কারিণী

৮৪) ফারিয়া > অর্থ > সুখী

৮৫) ফাতেহা > অর্থ > আরম্ভ

৮৬) ফরিদা > অর্থ > অনুপম

৮৭) ফাতেমা > অর্থ > নিষ্পাপ

৮৮) ফাজেলা > অর্থ > বিদুষী

৮৯) ফারহানা > অর্থ > আনন্দিতা >

৯০) ফারাহ > অর্থ > আনন্দ

৯১) ফারহাত > অর্থ > আনন্দ

৯২) ফারজানা > অর্থ > জ্ঞানী

৯৩) ফসিদা > অর্থ > চারুবাক

৯৪) ফাওযীয়া>অর্থ>বিজয়িনী

৯৫) ফাহমিদা > অর্থ > বুদ্ধিমতি

৯৬) ফাবিহা > অর্থ > শুভ

৯৭) ফারিয়া > অর্থ > আনন্দ

৯৮) ফাহিমা > অর্থ > জ্ঞানী

৯৯) ফেরদৌস > অর্থ > পবিত্ৰ

১০০) ফজিলাতুন > অর্থ > অনুগ্রহ কারীনি

১০১) ফিরোজা > অর্থ > মূল্যবান পাথর

১০২) ফেরদাউস > অর্থ > বেহেশতের নাম

১০৩) তামান্না > অর্থ > ইচ্ছা

১০৪) তাসলিমা > অর্থ > সম্পূর্ণ

১০৫) তানজীম > অর্থ >সুবিন্যস্ত

১০৬) তাহমিনা > অর্থ > বিরত থাকা

১০৭) তরিকা > অর্থ > রীতিনিতি

১০৮) তাহিরা > অর্থ > পবিত্র

১০৯) তাসমীম > অর্থ > দৃঢ়তা

১১০) তাসনীম > অর্থ > বেহেশতের ঝর্ণা

১১১) তোহফা > অর্থ > উপহার

১১২) তাসনিয়া > অর্থ > প্রশংসিত

১১৩) তাবিয়া > অর্থ > অনুগত

114. তাহিরা > অর্থ > পবিত্র

১১৫) ঈশরাত > অর্থ > উত্তম আচরণ

১১৬)ইয়াসমিন > অর্থ > ফুলের নাম

১১৭) ইসমাত > অর্থ > সতী

১১৮) ইজ্জত > অর্থ > সন্মান

১১৯) ইশারত > অর্থ > ইশারা করা

১২০) লাবনী > অর্থ > বিজয়ী

১২১) লুবনা > অর্থ > বৃক্ষ

১২২) লিমা > অর্থ > নয়ন

১২৩) লিপি > অর্থ > লিখম

১২৪) লালিমা > অর্থ > সুন্দরী

১২৫) লতা > অর্থ > গাছের লতা

১২৬) লিলি > অর্থ > পদ্ম

১২৭) লায়লা > অর্থ > শ্যামলা

১২৮) লামিয়া > অর্থ > ভাগ্যবান

১২৯) লিজা > অর্থ > বন্ধুত্বপূর্ণ

১৩০) ললিতা > অর্থ > সুন্দরী

১৩১) লিনা > অর্থ > আনন্দদায়ক

১৩২) লাইলি > অর্থ > রাত্রি

১৩৩) লাবিবা > অর্থ > জ্ঞানী

১৩৪) লাতিফা > অর্থ > ঠাট্টা

১৩৫) হাসিনা > অর্থ > সুন্দরী

১৩৬) হাবিবা > অর্থ > প্রেমিকা

১৩৭) হুমায়রা > অর্থ > রূপসী

১৩৮) হামিদা > অর্থ >প্রশংসাকারিনী

১৩৯) উলফাত > অর্থ > উপহার

১৪০) রায়হানা > অর্থ > সুগন্ধি ফুল

১৪১) সাইদা > অর্থ > নদী

১৪২) রাফা > অর্থ > সুখ

১৪৩) সুমাইয়া > অর্থ > উচ্চউন্নত

১৪৪) জামিলা > অর্থ > সুন্দরী

১৪৫) রহিমা > অর্থ > দয়ালু

১৪৬) জাহান > অর্থ > পৃথিবী

উপসংহার:

নামকরণে যে বিষয়টি জরুরি, পিতা-মাতা ভিন্ন ভিন্ন নাম না রেখে পরামর্শের ভিত্তিতে শিশুর অর্থবহ সুন্দর একটি নাম রাখাই উত্তম৷ আবার অনেকে খুবই দীর্ঘ নাম রাখেন, যার কারণে পরবর্তীতে নানা ধরনের সমস্যা পোহাতে হয়৷ যাদের নাম খুব দীর্ঘ তারা অন্য কোনো দেশে গেলে অনেক সময় পরিচিত নামটি হারিয়ে যায়। এজন্য একজন শিশুর সুন্দর, অর্থবহ, সংক্ষিপ্ত, শ্রুতিমধুর নাম হওয়া ভাল। তবে কুনিয়াত (উপনাম রাখা যেতে পারে। কেননা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অনেককে এ ধরনের কুনিয়াত বা উপনামে ডাকতেন। আল্লাহ তাআলা আমাদের শিশুদের উত্তম নাম রাখার তাওফিক দান রুকন। এবং মন্দ ও খারাপ নামকরণ থেকে হিফাজত করুন। আমিন।

প্রায়শই প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করুন

সন্তান জন্মের পর কোন দোয়া করতে হয়?

হজরত ইবরাহিম আলাইহিস সালাম তার সন্তান ভূমিষ্ঠের পর এভাবে আল্লাহর শুকরিয়া আদায় ও সন্তান, পিতামাতা, মুমিনদের জন্য দোয়া করেছিলেন-
الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي وَهَبَ لِي عَلَى الْكِبَرِ إِسْمَاعِيلَ وَإِسْحَاقَ ۚ إِنَّ رَبِّي لَسَمِيعُ الدُّعَاءِ – رَبِّ اجْعَلْنِي مُقِيمَ الصَّلَاةِ وَمِن ذُرِّيَّتِي ۚ رَبَّنَا وَتَقَبَّلْ دُعَاءِ – رَبَّنَا اغْفِرْ لِي وَلِوَالِدَيَّ وَلِلْمُؤْمِنِينَ يَوْمَ يَقُومُ الْحِسَابُউচ্চারণ : আলহামদুলিল্লা হিল্লাজি ওয়াহাবা লি আলাল কিবারি ইসমাঈলা ওয়া ইসহাক্বা। ইন্না রাব্বি লাসামিউদ দুআয়ি। রাব্বিঝআলনি মুক্বিমাস সালাতি ওয়া মিন জুর্রিয়্যাতি রাব্বানা ওয়া তাক্বাব্বাল দুআ। রাব্বানাগ ফিরলি ওয়ালিওয়ালিদাইয়্যা ওয়া লিলমু’মিনিনা ইয়াওমা ইয়াকুমুল হিসাব
প্রায়শই প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করুন

সন্তান জন্মের সাত দিনের মধ্যে আকিকা ছাড়া আর কী কী খাস করণীয়?

নবজাতকের নামকরণ করা। দেখা যায়, অনেকেই নামকরণ করেন না। অনেক দেরি করেন।  সুন্নাহ হচ্ছে, এই দিনে তাঁর নামকরণ করা। এর পর তাঁর পক্ষ থেকে আকিকা করা।

নবজাতকের জন্মে আনন্দ করা যাবে কি?

পিতা-মাতা ও আত্মীয়-স্বজনের জন্য নবজাতকের আগমন অনেক আনন্দের। নবজাতকের আগমনে আনন্দ করা যাবে, মিষ্টান্নও বিতরণ করা যাবে

নবজাতক শিশুর ‘তাহনিক’ কীভাবে করতে হয়?

শিশু ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর প্রথম করণীয় হচ্ছে ডান কানে আজান ও বাম কানে একামত দেওয়া। তারপর কোনো বুজুর্গ ও মুরব্বিদের মাধ্যমে শিশুকে তাহনিক করানো। মিষ্টি জাতীয় কোনো খাদ্য চিবিয়ে শিশুর জিহ্বার তালুর সঙ্গে লাগিয়ে দেওয়াকে তাহনিক বলে। খেজুর দ্বারা তাহনিক করা উত্তম। মহানবী (সা.) নবজাতকদের কোলে তুলে তাহনিক করতেন এবং বরকতের দোয়া করতেন।

সন্তান জন্মদানের কতদিনের মধ্যে নাম রাখতে হয়?

কারণ রাসুলুল্লাহ (সা.) শিশুর জন্মের সপ্তম দিন নবজাতকের উত্তম ও সুন্দর অর্থবোধক নাম রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। (তিরমিজি : ২/১১০) সুন্দর নাম রাখার তাগিদ দিয়ে রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘কিয়ামতের দিন তোমাদের নিজ নাম ও পিতার নামে ডাকা হবে। সুতরাং তোমরা সুন্দর নাম রাখো।’ (আবু দাউদ, হাদিস : ৪৩০০)।

(Visited 12,523 times, 42 visits today)

Leave a Comment